Of Moments, people, faces and sweet nothings!

Long back I had done a post about pictures which generally make me happy. Its Part II time and while this has nothing to do with writer’s block, it is definitely something relating to things which have kept me going in the past few weeks when I have missed home like never before. Why? Well, there are times when you want to be with your near and dear ones and this was one such time 🙂

So without much adieu, I present to you a set of pictures which never fail to bring a smile on my face. *Ting*. As I have always said, photographs are amazing things. If time travel was real, photographs could be our very own time machine. It actually is 🙂
P.S.- Most of these pictures are borrowed from the internet and discovered during endless hours of surfing. I do not intend to breach anybody’s copyright and if there is any dispute, I will be happy to share the credit or give due acknowledgement. Also, as far as possible I will be scribbling down the sources beneath the images.
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From:Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
(From: Here)
Advertisements

পিএনপিসি পর্ব ৩

প্রায় অনেকদিন বাদে ইচ্ছে হল আমার এই গালগল্পের পাতাটা আবার একটু নেড়েচেড়ে দেখি। তার কারণ যে এক্কেবারে নেই তা নয়। কিছুদিন আগে আমি একট অভিজ্ঞতা সঞ্চয়/জোড়দার করলাম- যে কিছু লোক এমন আছে যারা দুনিয়ারাজ্যের যেখান এই থাকুন না কেন, গুল মারতে এদের জুড়ি মেলা ভার।

কি ভাবছেন তো যে এ তো আকছাড়ই ঘটে, বিশেষ করে বঙ্গ সমাজে যেখানে আপনি মস্ত বড় বাজারের থলি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন তো ওমনি পড়শির চোখ টাটাবে। কথায় আছে “বাঙালি কাঁকড়ার জাত”, তাই পড়শির বাড়িতে ২ কিলোর ইলিশ রান্না হচ্ছে টের পেলেই ওমনি পিএনপিসি শুরু।

“আরে নিশ্চয়ই ঘুষ খায়। ভেট দিয়েছে কোন লোক”।

সামনে দেখা হলে কিন্তু অন্য বচন।
“বাহ! ভালো ইলিশ পেলেন দেখছি, তা কোথাকার?”
“হ্যা, ডায়মন্ড হারবারের। একদম তাজা, আজ সকালেই ধরেছে”
“ওহ! আমার আবার ওসব ডায়মন্ড হারাবার টাড়বার চলে না বুঝলেন। আমার পদ্মা ছাড়া ঠিক রোচে না। স্পেশ্যাল অর্ডার দিয়ে আনাই। তা কতো পড়লো?”

যারা পড়ছেন তারা এতক্ষণে নিজের পাড়াতুতো কাকু বা আত্মীয়স্বজনের মধ্যে কারোনা কারো সাথে মিল খুজে পেয়ে গেছেন নিশ্চয়ই। আসলে এরকম আমড়াগাছির দুটো  উদ্দেশ্য থাকে সাধারনতো- এক, পাতি বাংলায় জাকে বলে খোঁজ নেওয়া আর দুই, আদতে যাই হোক বা থাকুক না কেন, অন্যের থেকে বড় হতেই হবে এবং তা করার জন্য গুল মারার থেকে ভালো উপায় আর নেই।

এই যেমন ধরুন আপনি নতুন গাড়ি কিনেছেন হয়তো। লোক দেখানি কেতা মেরে ফেসবুক ভর্তি ছবি লাগিয়েছেন। এদিকে সবাই অভিনন্দন জানালেও ভেতরে কার কোথায় পিন মারছে বেশ ভালোই বুঝতে পারছেন। বলা বাহুল্য আপনি সেটা তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করছেন। কিছু লোক আবার এমন থাকবেই যারা ব্যাপারটা না পারছে গিলতে না পেছে ফেলতে। নিভৃতে চ্যাটে জিজ্ঞেস করবেই-
“তা গাড়ি কিনলি? কতো পড়লো?”
“এই তো লাখ ছয়েক।
“পুরোটাই দিলি? নাকি লোন নিলি?”
আপনি হয়তো বোঝালেন কত ধানে কত চাল, কিন্তু এখনো লোকদেখানির শেষ হয়নি।
“ওহ! ভালো। তবে ছোট গাড়ি কেন কিনলি?”
আপনি বলতে গিয়েও বললেন না হয়তো “আঙ্গুর ফল টক”, কিন্তু মোক্ষম বোমাটা ঠিক তখনই পড়ে-
“আসলে আমার জানিসতো ছোট গাড়ি পছন্দ নয়, ভাবছি নেক্সট ইয়ার আমি একটা হন্ডা সিটি কিনব।”
 তা সেই নেক্সট, টেক্সট মেসেজে নয় নয় করে দু দুটো “হ্যাপি নিউ ইয়ার” পার করে ফেলল, আপনার হয়তো মাঝে মাঝে মনে হয় ডেকে ডেকে জিজ্ঞেস করেন “কিরে হন্ডা সিটি কি হল?” কিন্তু আবার ভাবেন এই কথাটা বলে বন্ধুমহলে এই হিংসুটে কে নিয়ে খোরাক টা মন্দ হয় না।

এ তো গেলো সমবয়সীদের/বন্ধুদের কথা। আপনার মা হয়তো আপনার গাড়ি কেনার কথাটা গর্ব ভরে ফোন করে আপনার এলা পিসির মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে জানাবেন। প্রায় দু বছর পর হয়তো ফোন করছেন, তাই একটু ভনিতা তো দরকার। তাও আবার যাকে ফোন করছেন, ধরে নিন সম্পর্কে এক কাকিমা হন, তিনি হয়তো বিখ্যাত ভাবে “আমার বেশী টাকা আছে গোছের” গালগল্প করেন। হয়তো বা সেই আলগা তারেই ইচ্ছে করে ছড় কাটতেই ফোন। আহা! আপনার মা কি ভুলে গেছেন আপনার দিদির বিয়ের সময় এই কাকিমা কেরকম গয়নাগাটি আর খরচের বহর দেখে মুখ গোমড়া করে রইলেন সারা বিয়েবাড়ি। ভালো করে কথাও বললেন না। সবাই মুখ টিপে হেসে বলল্ল “স্বভাব গেলো না”।

আবার বছর ঘুরতেই, এই কাকিমার মেয়ের বিয়ের সময় যা হাঁক পাড়লেন। অতি সাধারন বেনারসী আপনার দিদির সাথে তুলনা স্বার্থেই হয়ে গেল “ডিজাইনার” আবার তার সাথে বিনা জিজ্ঞাসায় দামো বললেন “৪৫ হাজার”। নিন্দুকেরা আঁতকে উঠে বললেন “শাড়িটার খোল টাও ভালো না, গয়নাও তো লিকলিক করছে, তত্ত্বর দেখা নেই…গুল মারার জায়গা পায় না”

যাই হোক আপনার মা তো কি গুছিয়ে বলবেন ভেবে নিয়ে ফোন টা করে ফেলেছেন। আপনার সামনের মাসের বিদেশ যাত্রার খবর টাও ভাসিয়ে শুনিয়ে রাখবেন তাও ঠিক করেছেন।

“হ্যালো, দীপা?”
“হ্যা, কে বলছো? রমা নাকি?”
এবার খানিকক্ষণ কে কেমন আছে, কতোদিন পরে জোগাজোগ, শরীর টরীর নিয়ে আপোনার মা অনেক ভনিতা করলেন। তারপর নেমে পড়লেন “টেক্কা দেওয়ার” খেলায়।
“একটা সখবর দিয়ি তোমায় দীপা, আমার ছেলে জানোতো গাড়ি কিনেছে।”
আপনার মা মনে মনে তারিয়ে তারিয়ে ভাবছেন কেমন ছাই রঙ এর হয়ে গেল দীপা কাকিমার মুখটা। জবাবেও বুঝতে পারলেন।
“ওহ!”
“হ্যাঁগো ব্র্যান্ড নিউ।”
“হ্যাঁ আজকাল তো এতো ছোটছোট গাড়ির কিচির মিচির। সারা রাস্তা জুড়ে ভিড়” খেলায় খানিকটা সামলে নিলেন দীপা কাকিমা।
আপনার মা তো রেগে আগুন। নিজের মেয়ে হলেই এতক্ষণে গাড়িটার এমন গুনগান করতেন যে মনে হতো ওতাই দুনিয়ার সেরা গাড়ি। ফেরারি তো তুচ্ছ।
“হ্যা, ক্ষমতা থাকলে কিনে নেয়। তা দীপা তোমার মেয়ে জামাইয়ের কি খবর?” প্রশ্নটা যে শুধু কুশল বিনিময়ের জন্য করা তা দীপা কাকিমা আর আপনার মা দুজনেই ভালো করে জানেন। আপনার মা র উদ্দেশ্য অবশ্যই খোঁচা মেরে আপনার বিদেশ যাত্রার খবরটা জানানো। তলে তলে বেশ ভালোই খবর রাখেন, কবের থেকে ম্যানেজারের সামনে হাত পা থেকিয়ে, তেলের বোতল নিয়ে বসে আছে কর্তা গিন্নী ওরফে দীপা কাকিমার মেয়ে জামাই। উদ্দেশ্য কোন্মতে যদি একবার কালাপানি পেরোনো যায়। অনসাইট, অনসাইট করে যে দীপার জামাই পাগল হওয়ার জোগাড় তা নিয়ে আপনাদের বাড়িতে আগেই একদিন জব্বর পিএনপিসি হয়েছে, আপনার পিসে আর ওই যুগল একই অফিসে কাজ করে কিনা।
“ভালোই আছে। আমার জামাই তো এখন দারুন প্যাকেজ পাচ্ছে, জানো এবঅছর আমার মেয়েও ৩০% ইঙ্ক্রিমেন্ট পেয়েছে। এই নিয়ে এই বছরে এই থার্ড টাইম। এখন তো ওর প্যাকেজ প্রায় ৬০ লাখ”

আপনার মার পিলে প্রায় চমকে যাওয়ার অবস্থা। দীপা কাকিমা বা যারা এরকম টেক্কাবাজির খেলাতে অভ্যস্ত, তারা ধরেই নেন সাম্নের লোকটি এক্কেবারে অগা। আপনার পিসে যিনি অভিজ্ঞতার সুবাদে দীপা কাকিমার মেয়ে জামাইয়ের অফিসেই আরেকটু উচুদরের কর্মচারী তিনি সেদিন দুঃখ করছিলেন যে সামান্য প্রফিট কম হওয়ায়, এবার নাকি সব ইঙ্ক্রিমেন্ট বন্ধ করে কস্ট কাটিং করছে কোম্পানি।  আপনার মা ও এই সুযোগ ছাড়বেন কেন? বললেন- “ও, তাই নাকি? ভালো তো, তবে ওদের ওই অনসাইট টা হলো না না?”
দীপা কাকিমা আমতা আমতা করছেন দেখে, আপনার মা বাজিটা খেলে দিলেন- “এই দেখো বলতেই ভুলে গেছিলাম, আমার ছেলেকে জানোতো বাইরে পাঠাচ্ছে কোম্পানি থেকে।”
প্রায় অদ্ভুত একটা নীরবতার পর দীপা কাকিমা বললেন-
“তাই, ভালো…রিঙ্কি আর ওর বর তো চাইলেই যেতে পারে। তা কোথায় যাচ্ছে?”
“এই তো আমেরিকা। ওখানে ডলার রোজগার করে আসুক কিছুদিন। এখানে আচ্ছা আচ্ছা লোক যা পায়, তা ও দু তিন মাসে রোজগার করবে।”
পিনটা বেশ ভালোই ফুটলো মনে হয় কারণ আপনার মাকে হয়তো কথাটা না শেষ করতে দিয়েই দীপা কাকিমা প্রায় হামলে পড়ে বলে উঠলেন- “হ্যা, হ্যা, জানি জানি। আমার মেয়ে জামাইয়ের ও তো সিঙ্গাপুর চলে যাওয়ার কথা। আজকাল তো আবার জানোতো আমেরিকা কেউ যেতেই চায় না। সিঙ্গাপুরে অনেক বেশী টাকা।”
“কি যে বল, টাকা দিয়েই সব হয় নাকি। সিঙ্গাপুর কে তো বলেই “পুওর ম্যান্স ইউ এস এ”, শুনেছি খুব খাটায় নাকি, আর যাই বলো আমেরিকান ডলারের দামটা কিন্তু এখন সিঙ্গাপুর ডলারের থেকে বেশী।”
অর্থনীতির ব্যাপার টায় কেঁচে গেলেন দীপা কাকিমা। এই ব্যাপারে রিঙ্কি কে না জিজ্ঞেস করেই একটা বেমালুম বলে দিয়েছেন, বেশী না বলাই ভালো আর।
কিন্তু আপনার মা ছাড়বেন কেন, পাকা ঘুটি কপাত করে খেয়ে ফেলার সময় এসে গেছে।
“তা কবে যাচ্ছে গো তোমার মেয়ে?”
“এই তো, ঠিক হলে তোমাদের জানাতাম। আসলে ওরা ওখানে একটা ফ্ল্যাট কিনে এক্কেবারে যাবে।”
আবার অবাক হওয়ার পালা আপনার মার। দীপা কাকিমার মেয়ের যখন বিয়ের পর পাসপোর্ট হল তখন সে কথা সবাইকে ফোন করে করে জানিয়েছিল। আর সে কিনা এরকম খবরটা চেপে রেখেছিল এ বিশ্বাস করা কল্পনার ও অতীত। গত তিন বছরে নিদেন পক্ষে নিউ টাউন না হোক রাজারহাটে ও এক টা ফ্ল্যাট কেনেনি, আর বাগুইহাটিতে ভাড়া বাড়িতে থেকে সল্ট লেক বলে চালায়, তারা আবার কিনছে সিঙ্গাপুরে ফ্ল্যাট। মেজাজ টাই বিগড়ে গেল আপনার মার। একথা সেকথা র পড়  ফোনটা রেখে দিলেন। ভাবলেন কেন যে ফোনটা করতে গেছিলেন।

আপনারও এরকম মনে হয় নিশ্চয়ি। যখন দেখেন ব্লাফবাজিতে পারদর্শী কিছু লোক নিজেরা কিছু করবে না, কিন্তু অন্য কেউ কিছু করলেই একইসাথে সেটা ছোট করবে আবার এমন আকাশচুম্বী গুল মারবে যে সবাই জেনেও হাসবে না কাঁদবে ঠিক করতে পারবে না।

আমার সাথেও এরকম মাঝে মাঝেই হয়। ওপরের কথাগুলো কাল্পনিক, চরিত্রগুলোও। কিন্তু সার সংজ্ঞা টা কাল্পনিক নয়। আমাদের প্রত্যেকের প্রত্যাশার পারদ উপরে উঠতে উঠতে এমন জায়গায় পৌছয় যে সেখান থেকে ফিরে আসতে অনেকেই পারে না। এই গুলবাজ রাও না। অস্বীকার করে লাভ নেই যে আমরা কেউই সত্যবাদী জুধিষ্টির নই, সময়ে অসময়ে আশে পাশে আমরাও গুল মার। কিন্তু জখনি দেখবেন কেউ ঊর্ধ্ব তর স্তরে গুল মারছে, তখন তাকে ভুলটা শুধরে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। কারণ তা আপনার মূল্যবান সময়ের অত্যাধিক অপচয়। উল্টে খোরাক করুন। কারন এর থেকে ভালো “কমেডি নাইটস” আর পাবেন না জীবনে। আর ঘরোয়া আড্ডায় বা বন্ধুদের সঙ্গে পিএনপিসি তে এগুলোই জমে ভালো।

পুনশ্চ – এবারের পর্বটা পড়ে মনে হতেই পারে যে এই খোজ নেওয়া এবং অন্যকে অগা ভেবে গালগল্প ঝাড়ার সুযোগ টা বঝি বাবা কাকা বা মা মাসি পিসি স্থানীয় লোকেরাই নেন। আজ্ঞে, সে গুঁড়ে বালি, কারণ স্বভাব জিনিসটা কোন বয়স, আয়সীমানা, প্রথাগত শিক্ষা দীক্ষার ধার ধারে না। পরের পরবে সেরকমই কিছু নিয়েই  পিএনপিসি করবো ভাবছি।

পিএনপিসি পর্ব ২

পিএনপিসি পর্ব ২
যারা আগের পর্বটা পড়েছেন তারা জানেন যে এ হচ্ছে অনলাইন গাঁজাখুরির আরেক নাম। পিএনপিসি যে কি লোমহর্ষক জিনিস সে ব্যাপারে তো আগি বলেছি। তাই বেশী গৌরচন্দ্রিকা না করে সোজা কথায় আসি। এই পর্বের গপ্পোটা হয়তো আমাদের অনেকের চেনা কারণ আমরা যারা সুন্দরী পাড়াতুতো দিদিদের প্রেমকাহীনি নিয়ে এককালে মস্ত লোপ্পা ক্যাচ ক্যাচ খেলতাম, তাদের কাছে এ গল্পের বিষয়বস্তু নেহাতই আমড়াগাছি। ও, আর আগেভাগে বলে নেওয়া ভালো যে ভালো এ গল্পর সব চরিত্র কিন্তু প্রায় কাল্পনিক। কারো বিবাহিত জীবনে ব্যাঘাত ঘটানোর দায় মোটেই আমার নয়।
যা বলছিলাম। আমাদের পাড়ায় এক দিদি ছিলেন, যাকে দেখলে পড়েই আমাদের ওই পাড়ার মোড়ের চাওয়ালা কাকু একটা লেরো বিস্কুট এমনি এমনি খেতে দিতো।হাসিমুখে। ওই যখন আমরা রোজ সকালে স্কুলবাস ধরার জন্য দাঁড়িয়ে থাকতাম আর  ফুলটুসিদিরোজলেটকরেআসতো।বাসেরহেল্পারকাকু (বাবুয়া কাকু) কিন্তু রোজ ওর জন্য দাঁড় করিয়ে রাখতো বাসটা। কি রাগই না ধরতো তখন। আমরা কেউ লেট করলে বকাবকি আর রোজ ফুলটুসিদির জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। দেতো হাসি দিতো আমরা কেউ বাবুয়া কাকুকে এই নিয়ে কিছু বললেই। একবার তো আমি ভুল করে ফুলটুসি দিদের বাড়ির ল্যান্ডলাইন নাম্বারটা বাবুয়া কাকুকে বলতেই, ৬ টাকার বড়ো আলুকাবলিটা খাইয়েছিল। ভুল করে কারণ, আমাদের পাড়ারই বপি দাদা প্রায় একমাস বাসে জায়নি, আর যাবে কিনা জিজ্ঞেস করতে বাবুয়া কাকু ওর ফোন নাম্বার টা চেয়েছিল ড্রাইভার কাকুর কথামতো। আমায় জিজ্ঞেস করতে আমি গড়গড় করে বলে দিয়ি নাম্বারটা। ওমনি ফুট কেটে সোনাই বলে, আরে ওটা তো ফুলদিদের বাড়ির নাম্বার। বপিদের নাম্বারের শেষে ৫ আর ফুলদিদের ৪। 
আমি ভুল শুধরোব কি, দেখি বাবুয়া কাকুর সে কি হাসি, পুরো শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ টাইপের হাসি। বাবুয়াকাকুর খোয়াবে তখন ও পোসেনজিত আর ফুলটুসি দি ঋতুপর্ণা। যাইহোক, এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন, যে এহেন ফুলটুসির দিওয়ানাদের লিস্টটা ইয়া লম্বা। সেখানে এই বাবুয়া কাকু বা চাওয়ালা কাকু আমাদের শ্রেনী বিভাজনের ইতিহাসের মতোই একদম নীচের দিকের কন্টেন্ডার। পাড়ার বড়লোক বাপের বখাটে ছেলে থেকে শুরু করে উচ্চ মাধ্যমিকে র‍্যাঙ্ক করা ছেলে সব্বাই পূজোর সময় ফুলটুসি দির সাথে অঞ্জলি দিতে হেব্বি আগ্রহী। অনেকেই আবার কায়দা মেরে আলাপ জমাতেও চেষ্টা করে। যেমন ওই উচ্চমাধ্যমিকে র‍্যাঙ্ক, আই আই টি টপার ছেলেটি যখন জানতে পারলো যে ক্লাস ১২ এর টেস্ট পরীক্ষায় ফুলটুসি দি ধেড়িয়ে কাত, তখন এগিয়ে গিয়ে বলল-
হাই ফুলটুসি, আই হার্ড এবাউট ইয়োর র‍্যাজাল্টস ফ্রম আন্টি। ইফ ইউ ওয়ান্ট আই ক্যান হেল্প ইউ আউট”
কথায় আছে সুন্দরী মেয়েদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে তাদের ন্যাকামো। সে ডিপারটমেন্টে ফুলটুসি দি মোটেই কম ছিলনা। ঘাড় ঘুড়িয়ে জবাব দিল।
হাই দীপ, প্লিজ ডোন্ট কল মি বাই দ্যাট ঘাস্টলি নেম। কল মি ঝিনুক। মাই গুড নেম।”
অলরেডি ঘায়েল দীপদা সেই মুহূর্ত থেকে মরিশাসের সমুদ্র সৈকতে ফুলটুসি দির সাথে ঝিনুক কোরানোর স্বপ্ন দেখতে শুরু করল। 
এদিকে বখাটে রাজা দা ও কম যায় না। যতই সে মস্ত ওচাদের নাইট কলেজে পড়ুক, পাড়ায় তার মতো বাইক কারো কাছে ছিল না। আর সরস্বতী পূজোর সময় আমাদের এক গন্ডা বাচ্চা পার্টির কোল্ড ড্রিঙ্কস খাওয়ার টাকাও সে একাই দিতো। যেই না শুনলো সে বিদ্যার বহরের কথা, ওমনি সে বাইক হাঁকিয়ে অষ্টমীর দিন পৌছলো ফুলটুসিদির বাড়ির সামনে। নতুন কেনা মোবাইল ফোন টা বের করে (সময়টা ৯০ এর মাঝামাঝি খেয়াল রাখবেন) তাকে ডাকল নীচে। বলল-
হাই, নলবনে দারুন একটা ডান্ডিয়া পার্টি হচ্ছে, তুমি যাবে আমার সাথে। ৫০০ টাকা করে কাপল পাস।”
ওয়াও”- ফুলটুসি দির মুখ দেখে বোঝা যাচ্ছিল যে শুধু নলবন কেন, তারা যে তারপর তন্ত্রাও যাবে সে ব্যাপারে সন্দেহ নেই।
 এই পুরো ঘটনাটা আমার নিজের চোখে দেখা। আমি আর আমার পাড়ার বেস্ট ফ্রেন্ড পঞ্চু বেগুনী খেতে খেতে তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করছিলাম দৃশ্য টা। একটা বেট ও লরে ফেলেছিলাম যে কে জিতবে শেষ পর্যন্ত। কিন্তু বড়দের নাক গলাতে হল ঠিক তক্ষুনি। পাড়ার সবার জ্যাঠা ভোম্বল জ্যাঠু এসে আমাদের এক খেদানি দিলেন।
এই যা এখান থেকে। সারাদিন পাকামি করা…আর এই রাজা এসব কি হচ্ছে শুনি। এটা ভদ্রলোকের পাড়া। এক হাত দূরে আমরা বসে আছি দেখতে পাচ্ছিস না। লজ্জা করে না, তোর বাবাকে বলছি দাড়া।”
রাজা দা বা ফুলটুসি দি কি করল জানি না, আমরা দুজন দে ছুট। এতবড় হট নিউজ টা বাড়িতে না বললে চলে। মাইভ ঝাড় খাচ্ছে দুজন দাদা দিদি। পঞ্চুদের বাড়িটা আগে পড়ে। বাড়ি ঢুক্তে না ঢুকতেই শুনি ল্যান্ড ফোনটা বাজছে। মা ই ধরল। তারপরের কথোপকথনের একটা দিকি শুনতে পেলাম-
কি? কি অবস্থা! কি সাহস ভাবো!”
হ্যা, হবে না কেন… যেমন মা বাবা, তেমনি মেয়ে।”
……
পাড়াটার বারোটা বাজিয়ে ছাড়ল। ওই জন্যই তো আগের বার ওর জন্মদিনে যেতে দিয়িনি মেয়েকে।”
……
আবার ওদিকে আমাকে সেদিন নন্দিনী বলল, দীপ কেও নাচাচ্ছে। কি গেছো মেয়ে”
……
আর বল কি! ভালো ছেলেটার মাথা চিবিয়ে খেল”
ঠিক বলেছো। মার শাসন নেই। উলটে আস্কারা আছে।”
……
হ্যাঁ, হ্যা। মনে পড়েছে। ওই সরস্বতী পূজোর দিন তো। দেখেছি। কি পিঠ কাটা ব্লাউজ পড়েছিল না মেয়েটা।”
……
সত্যি কি ঢলাঢলি। বলি তার দুদিন পড়ে টেস্ট তোর শাড়ি পড়ার দরকারটা কি রে? অতো সাজগোজ।”
……
উমম! এদের একজনকেও বিয়ে করবে নাকি দেখো…ওর মা তো বলে মেয়ের জন্য এমন জামাই আনবো না দেখো। সবাই হা হয়ে দেখবে।”
আমি বোঝার চেষ্টা করলাম হঠাত বিয়ে কোথা থেকে এল। ততক্ষণে মার ফোন শেষ। আমাকে দেখেই বললেন- “এই তুই ছিলি না তখন…একদম বেশী মিশবি না। ওইসব নলবন টন কিন্তু খুব খারাপ জায়গা।”
মার বকা খেয়ে আবার পূজো মন্ডপে যাচ্ছি। পাড়ার কাকুদের জটলা র সামনেই ছিলাম। শুনতে পেলাম-
কি আর বলব, বড়দের কোন সম্মান পর্যন্ত করে না।”
আরে মশাই, মেয়েটার অডাসিটি দেখে তো আমার মাথা ঘুরে জায়…ছেলেটা ডাকল আর তুই ক্লাস টুয়েলভে পড়িস মাত্র…ওমনি ধেই দেই করে নাচতে নাছতে চলে এলি।”
আরে বোসদা, সেদিন আপনি কি দেখেছিলেন বলুন না। ওই যে সেদিন আমাকে বলছিলেন অটোস্ট্যান্ডে”
আরে হ্যাঁ ভায়া। আর কি বলব। ওই যে মিত্তির দের ছেলেটা আছে না…তাকে পর্যন্ত ছাড়েনি। আমি সামনে দিয়ে যাচ্ছি কোন হোলদোল নেই। সে কি গল্প দুজনের পাড়ার মোড়ে দাঁড়িয়ে। আমার গিনী আবার বলল, ও নাকি ফুলটুসি কে কম্পিউটার শেখায়। কি শেখার ছিরি।”
আরে আমার মেয়েটা বলল ওদের নাকি আবার কি সব পারফিউম সেট দেখিয়েছে। ওই রাজা দিয়েছে মনে হয়।”
না, বুঝলেন। সেন বাবুকে ডেকে ওনার মেয়ের ব্যাপারে বলা উচিত কিন্তু।” ভোম্বল জ্যাঠু মন্তব্য করলেন।
আরে ছাড়ুন তো। আমরা কেন ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াবো। তাদের ব্যাপার তারা বুঝুক। আমরা মজা দেখি।”
কেউ একটা বলে উঠল। খেয়াল নেই কে। সঙ্গে বিশাল হাসির রোল। আমি তখন ভাবছিলাম, কারা যেন বলে পিএনপিসির ব্যাপারে একমাত্র মেয়েদের আধিপত্য?
বলা বাহুল্য সেবারের পূজোর বাকি সবকটা দিন এবং তারপরে আরো অনেক দিন আররো অনেক মশালাদার আলোচনার মুখ্য বিষয় ছিল ফুলটুসি দি। আজ এতোদিন পর ভাবি, কেউ রাজা দার বাবাকে কমপ্লেন করার কথা ভাবল না কেন? ওর বাবা অনেক টাকা দিত পূজোর জন্য বলে? আর দীপ দা? ও আই আই টিতে পড়তো বলে?

 

Special post- Chandrobindoo turns 25!

It is often told that Bengalis find expression for all their emotional travelogues (Calcutta to Howrah!) in Tagore’s songs. That Dadu has given words for all our emotions, upheavals and more is something I dare not debate. As a quintessential Bengali, I very well know the effect “Aaj Jyotsna Rate Sobai Geche Boney” coupled with “Old Monk” had on my friendly neighbourhood dada- umm, let’s call him Poltu da, after a painful break up with the “Shundori” (Beautiful) girlfriend who did not think twice about trading his undying love for the MBBS husband. Ah! that typical bong fascination for “lyengi”. 
Lyengi is actually an art in Bengal. One that has given rise to so many poets and singers who wrote odes to their lady loves with moist eyes and good old “Old Monk”. But then again, the 90’s Bengali men and women who decided to not to remain unaffected by the changes that globalisation was gradually doing to their friendly “chayer thek” wanted a more vocal alternative for their everyday being. Be it love, politics or just being Bengali. Everything which a Bengali loves.
And then came Chandrobindoo. The rest they say is history.
As a Bengali girl growing up in a South Calcutta neighbourhood in 1990’s, remaining unaffected by the Bangla band scenario was impossible. I liked Bhoomi and some works of Cactus, but it was Chandrobindoo who made those overtures of Poltu Da during Durga Pujo bhashan or the continuous efforts that he made to appease the snob daughter of Mr. Chatterjee in our neighbourhood, utterly believable. Their first album had a song called “Sweetheart” and it was more than true that Chatterjee uncle’s daughter had, while introducing her NRI fiance to us, had taken a special exception for Poltu da and called him- “Oh! Sujoy, meet Poltu…he is like my brother you know…he stays just opposite our house”. This was 1999. NRI husband meant the big ticket to fame and she did just the same. While the above mentioned song described the Bengali woman’s fascination for their “Pistuto” brothers (“cousins”), we saw more of the rakhi brother game being played just in front of our eyes. That was the first pillar of truth Chandrobindoo established for me, even though I heard the song much later but I could make an instant connection 🙂
To say that Chandrobindoo only gave voice to a heart broken lover’s whims will be such an insult. If there was anybody who brought “humour” and “sarcasm” to the already cluttered Bangla band scene, it was them. Chandrobindoo appealed to all those Bengalis across the world who could understand our shortcomings as a race. Their song “Aamra Bangali Jaati” came during a time when we had just started jostling for our space in the world map post the globalisation. Calcutta as a city was waking up to the changing times. The times they had understood that those days of brutally romantic 70’s and 80’s were over. If we had to survive and make the city tick, we had to fight…but! there is always a but in a Bengali’s life….the fact that we as an ‘intellectual’ race had to rub our shoulders with “Paanjabis” and “Meros” was completely unacceptable to us. The stiff upper lipped uncle in my neighbourhood often discarded the overwhelmingly popular Information Technology revolution and the predominance of “Made in America” in our lives as a ‘Capitalist conspiracy’ and that actual “Bilet” was always London and never New York! So when Chandrobindoo decided to poke fun about our stake to intellectual supremacy via the Nobel laureates that only Bengal seems to have produced, it never sounded odd. We all do that. Period. We all say “Marwaris have no kaaalturrr” and then share social space with them in Calcutta Club as we have to accept a hardworking race’s claim to economic supremacy. It is even ironical that we Bengali often claim to be the “most modern, secular minded and non communal” beings. Yes! even after those ‘Paaiya’ and ‘Mero’ jokes.
This is where I feel Chandrobindoo touched the perfect chord with our generation. Their lyrics, penned by the oh! so charming Anindya and the one and only Chandril, reflected the story of our lives. My father always thought Rabindranath is the best thing to happen to literature (and I still think Sourav Ganguly is the best thing to happen to Cricket), but I also understand that the definition of what is best can never be decided in societal terms. More so when, today we are waking up to the rise of the entrepreneurial risk loving Bengali who does not mind opening their own start ups.
If that last paragraph made you think that Chandrobindoo was supposed to make light hearted music, when did it become so heavy on us….relax! For me and for everybody of my generation, Chandrobindoo will be the ones who made those expressions of love and falling out of love so easy, so gentle and so believable. I sometimes wonder whether it was the fact that the very cute Upal and the very charming Anindya in front of the microphone that made those words so believable. Anindya will probably be the only bearded man in the history of this mankind that I had a very special soft corner for. Apart from Robi Thakur that is. (That bit is always understood. I am a Bengali :P)
I met Anindya once in the Calcutta Book fair. I took his autograph and conveyed to him about how much I liked his songs. All along, I gushed like a school girl. My husband was standing besides me and he could not believe it was the same me who was still sometime ago fighting with the very obnoxious Calcutta taxi driver for a ten Rupee change!
Well! to think of what made the romantic songs, the ones I consider among the many of their songs to be my favourite, tick and stand out is a question that cannot be answered without a reference to the city which makes all of us “fall in love”. The city that has “Ei shohor janey amar prothom sobkichu” written all over, for (admit it) many of us. (That is a Kabir Sumon song. Just for the uninitiated.)
Calcutta, has been a character in many of Chandrbindoo’s songs. I cannot imagine the innocence of giving up everything for love or as the way the love of out lives wished happening in any other city in this world apart from Calcutta. May be it is my imagination, but in this world of everyday rush from our pigeonhole apartments in Borivali, New York, Gurgaon or Rajarhat to our air conditioned office spaces anywhere in this world- can any place offer the solace, the peace, the warmth and the love of a life long forgotten in the meandering lanes of North Calcutta?
The answer will be an overwhelming No! We all crave for that life that we left behind. I have never lived in North Calcutta. I have never lived continuously in the house I prefer calling “Home” situated in a South Calcutta neighbourhood since I was seventeen. But still, most of my memories of the life I so much loved/love, still belongs to that place. The times when the neighbourhood Poltu da sang “tomake shonabo Joy Goshayi/ Tomar babake meshomoshayi to woo the girl of her dreams which often turned out to be every girl who crossed his path! His efforts to say “Tumi amar CPM/ Tumi amar ATM/Tumi amar series premer seshta” was commendable though! 😛
I am sure there were Poltu Das’ aplenty in all our lives. All of whose “Modhyobitto bhiru prem” (the faint hearted middleclass love) never came true 🙂
But does that stop us from falling in love? No! Because Chandrobindoo’s music often celebrates the quirkiness of the unachievable. Be it love or be it the need of societal approval (again!) or the celebration of the only thing that remains constant in a Bengali’s life- the long standing companion which we often prefer calling “paashbalish“.
As Chandrabinoo celebrates twenty fifth year of their existence, let’s raise a toast to the ones who made our growing up years the most memorable ones. The years that have often turned out to be the “bhindeshi tara” of our lives. But for the men who made the journey memorable (staring from the time I was introduced to their music by the humble(?) “Duniya DotCom” by two classmates), all I want to say is please keep making the wonderful music. Some people say that the unique humour that we associate with Chandrobindoo’s songs have waned, but I think if you do not make songs like “Bola Baron”  or “Muhurtora” now, then may be the musical journey of our generation will not mature. Officially, “Aparajita Tumi” it is not a Chandrobindoo album, but the overwhelming presence of the two Chandrobindoo front men makes me include the song.
The later is just an overwhelming culmination of the journey that we have all undertaken in our lives.
As they say “Muhurtora, Muhurter kache wrini”, we all have those memories and those moments which makes this incredible celebration of life possible and an amazingly beautiful journey. As an ardent fan, I am happy the maturity in their music shows. Please keep on giving the background music and lyrics for all our everyday struggles in our lives….for those forlorn nights which are made memorable by the whisper of those long forgotten memories 🙂
P.S.- I was in two minds about writing this post in English. Things which are close to heart, like Chandrobindoo and their songs, deserve the beauty of expression in Bengali, my mother tongue and the language the band had chosen as a medium of their creative expression. But I decided to stick to English primarily because if there are any non Bengali speaking reader of my blog (I presume that people read my blog…I am a bit self obsessed you see :P), they deserve to know the beautiful music Chandrobindoo makes. Secondly, the inherent Bengali-ness of their songs make them ethereal and universal. Do you spot the incoherence and dichotomy? That is what marks the journey of the maverick music makers of my youth and an entire generation of Bengalis special. Happy Birthday!

How to tell the world that you are in love- a bong woman’s guide to glory :)

(This is something I wrote as a facebook post a few months back. Back then, I was still a corporate slave. A lot of things have changed since then. And suddenly one fine day it turned out to be one of the controversial notes that I wrote. Sarcasm, thou is not every one’s cup of tea. And so are you Mr.’ sen’se of humour 🙂 A little editing later, the much hallowed note makes it’s debut on my blog. Read on.)

Google is a wonderful thing. Nowadays every other person claim to know a lot and even more dangerously have an opinion on everything, all thanks to- yes! you guessed it right- “Google” [The veracity of what they speak and the grammar (ah! spellings) are completely different stories though.] So in case you don’t know it, just google it..or log onto Twitter. But the point is not that. The point that I am solely concerned as of now is about the search options Google gives. Once you punch in a few words, it gives you suggesstions.
So I am this seemingly well paid corporate slave trying to unearth some data on the business profile of a client and I have to start from scratch. What better options than logging on to Google? I did that and was stumbled. Google gives you suggesstions like “how to get pregnant” (?!) No seriously! And then there was this one suggestion which really got me hooked- “How to tell the world that you are in love” You may laugh yuou heart out but how bourgeois can Google get? Sorry! but that’s the only interpretation I can think of right now (with all the seemingly colourful activities going on around me :P) I have a few pointers though. The way you can tell the world that you are in love- or to put it simply to show off your High market value boyfriend/fiance 😛 Don’t blame me it for being an inherently ‘bong’ take on the issue as you might well know by now that I was the one who had once famously propounded that -“Being Boing is a state of mind” (Don’t believe me, ask a few people from NALSAR) 🙂

1. First and foremost- update your relationship status on Facebook. In case you doing that on Orkut, you are plain and simple orkutiya. Count the comments, and individually reply to each one of them. Behave as you are blushing and play the cat and mosue game about telling ‘who is the lucky one’

2. Post some randomly nice pictures taken on prinscep ghat or victoria. Of yours alone….but make it evident that you were with someone. Of course! who goes to Victoria alone, until and unless you still believe in “Long live the queen” 

3. A few days back “someone’s” mother gifted me  a Nabaneeta Dev Sen book. She writes there in somewhere about the crisis called love 🙂 and she quotes a famous saying of her generation that Bengali men and women used to quite religiously follow- “Prem korbo jethay sethay, biye korbo baper kothay” (roughly translates to- Will love/flirt around with anybody or somebody, but will marry some one proper as per my father’s wish). Sadly, this holds true for my generation and may be everyother generation to come. The generation befores iconized the proverbial ‘love marriage’ (the concept which the ‘west’) still fails to understand and nowadays it’s not even looked down upon. But the truth is even more simpler. Love marraiges nowadays are more akin to marriages of convenience (and I am no where excluding arranged marriages, just that they are more ‘to the point’ :P. The bengali girl’s heart, more often than not, reaches out for that software engineer from an ivy league institution and ample monetary opportunities. That background was heavy, but that brings us to the thrid point.

She will wear those off the racks designer dresses that he must have got for her and will gleefully smile at those jealous glances of her friends and tell them “O na baire thekey eney diyechey” (He has got it for me froim abroad). The more the glances, the borader the smiles 🙂

4. She would be th hottest chick having a ball around the town, but once he meets that perfect IITian boyfriend of hers, she will gladly move on to salwar kameezes. When asked she wil say- “O na amar low cut blouses pora pochondo korey na” (He doesn’t like me wearing low cut blouses). Telegraph rightly said- “O boleche” is the end of the world! (sigh! for those non bengali speaking people who don’t understand the greatness of “o boleche” :P)

5. She will speak  in hushed tones and will grin ear to ear about those constant phone calls and when teased about them in the family gathering full of mashi, pishi and didimas. And then the proverbial  bengali meyer ma (girl’s mom) will jump into the action. Mind you that’s another way to show off- “tutun er jonyo na ekta khub bhalo patro peyechi. IIT r chele. Software Engineer. Amerciay thake. Ora khub jorajuri korche biyer jonyo…chele to amar meyer jonyo pagol…biyer pore ora states ei chole jabe….newo na ei chocolate ta arektu newo na….oi pathiyechey..onek to pathateyi thake… chocolates, perfume, dresses….sob tutun er jonyo” (We have found a very good match for tutun you know. The guy is from IIT. He is a Software Engineer and stays in America. The guy’s side is pressing for marraige soon….the guy is crazy about my girl you know. They will live in States only after marraige….have some more chocolates…he only sent….arey! he keeps on sending chocolates, perfumes, dresses for our tutun”)

IIT, software Engineer and America. Three words and the magic is done on everyone….the mashima, didima, uncle, aunty….they will now discuss about the guy’s pay package and the Dollars he earns. Recession, Credit Rating downgrade are forgotten words then 😛

6. Trust me, she will never forget to mention the IIT and the America tag everytime a friend asks her completely unrelated stuff like “How did you meet?”

7. Last on my mind as of now…(but definitely not the least)….a person I knew once used to show off her love by posting cosy (ok! that’s not the word)…ummmm seriously lovey dovey (read: toucht touchy) pictures of her boyfriend(s)…(she eventually married one of them) on a very public forum like Orkut….and the album was for everyone to see. so you know that next time you go on a date, know how to click pictures and how to upload them on facebook (orkut, sheesh!) 

P.S. Not everything written here is from personal experience, nor did I ever deny that I wasn’t the true bong girl who doesn’t mind showing off her Fiance who can buy her…..(let that be a seceret) 🙂 :

A few springs in between….

                                                                                   I

“So, Mamoni! all set?”

Dr. Rajat Mukherjee was all smiles today. A glint of pain showed up now and then but he hid it well enough. He was proud, very proud of his only daughter Debolina. Getting one’s PhD application accepted in one of the world’s most revered universities is not an easy ask. Debolina had done it and how!
Debolina was happy. Relieved to the core. For years in to her graduate and post graduate studies in Jadavpur University, Debolina was always taunted by her relatives- for studying Literature. She was glared upon when her father’s friends from medical school asked- “So what are you studying now?” and she answered back in a wimpish tone- “Literature, Comparative Literature.” The presumption was always in favour of Medicine, Engineering or for that matter Sciences. But Literature came as rude shock to all.
And now she was going to Harvard. What an answer to all! A country where “Made in Vietnam” but “Marketed from USA” still sells like hot cakes, this was an achievement, nonethless. Dr. Mukherjee had arranged for a family get together before the day Debolina was scheduled to leave for foreign shores. Mrs. Mukherjee was busy attending to all. 
“Taposhi Di, take one more bhteki fry, please!”
“Laltu Da, one more, one more chom chom…this for Tukun”
Bits and pieces of conversation strewn across the roof followed Debolina, Tukun to her immediate family. She was ready to leave this place of her own, the only place she called home in her twenty two years of existence. She was excited about all that was awaiting her. But she felt remorse too. Boney mashi, the one who had trashed her future prospects as- “Useless!” a few years back came with a bouquet to congratulate her.
“Daroooon Khobor!! Congratulations! So very proud of you :)”
“Why are you so late Boney di?”
“Arey the traffic….so Tukun when is your flight tomorrow? Are you carrying woollens?”
“Take a few spices also….for immediate need”- Rani dida jutted in the conversation.
Tukun smiled. She smiled a lot, until she boarded her flight. May be that was the only way she could console Ma. Her mother who always took a backseat in every decision made in the household. Her mother who loved playing second fiddle to the awe inspiring personality of Dr. Mukherjee, her father. Her mother who did not cry a bit before she vanished beyond the point of security check and immigration cues in the airport.
Tukun looked up. The Air Hostess was here to ask for her meal preferences. She had a long flight ahead….and a longer journey.
                                                                                   II
“Are you looking for this?”
Debolina was startled! She was so engrossed in her search for her cell phone that she failed to notice that someone was standing right next. The Library still felt jolted to be waken up by the shrill sound of the cell phone ring. 
“Thank you so much! I just couldn’t place it.”
“Happens! Happens more in case you read Jhumpa Lahiri too much”
“Hey! you like her?”
“Well, being a Bengali, and that too a graduate student in an American University, if I claim that I don’t like her works of Bengal, Boston and Beyond…I will surely be lying.”
“You are a  Bengali?” Debolina exclaimed with joy!
“Yes Madam, 100% pure breed Bengali….I swear by my Robi Thakur.”
Kabir had already extended his hand for friendship and Debolina couldn’t refuse the easy going charm. Kabir, as she later learnt was a Bangladeshi. Debolina had first mistaken her for a Calcutta bong. To which Kabir had joked- “Snobbish Calcuttan, It seems you think all the bengalis you know hail from Calcutta and read in your convent schools. Huh!”
In stead Kabir Siddiqui hailed from Dhaka. A bright young Statistics scholar from Dhaka University, Kabir was also here on a full scholarship. Their area of research was way different, and the cities varied, but poetry and rhyme found them. And the language. Debolina had spotted almost thirty desis in and around her apartment and Department but none of them spoke her mother tongue. 
Language, what an amazing creation was it. Debolina sometimes wondered whether she would have taken that instant liking for Kabir, if not for Bengali language, a language they both communicated in. There were days when Kabir stayed back in her apartment for an extra cup of tea while they both hummed their favourite Rabindrasangeet. 
“Bujhley Debolina, This tea is a wonderful boon to us…the ‘still’ colonized souls from the British. This Starbucks fed nation doe snot know how much are they missing out because of coffee.”
Laughter and a Joy Goswami later, Kabir would stood up to go and finish his assignment due next week.
Debolina, would wave her goodbye.
Two months had passed on since the day Debolina had left Calcutta. Her mother now knew how to use Skype and communicate. She wrote her emails. There were emails from her dad too. He spoke to her at length on the weekends. Today was one such day. Her parents were pestering her to come back home during the winter break. Debolina was disapproving. She and Kabir had made plans to visit New York around that time. A plan her parents would never approve of. She tried to divert the topic of the conversation.
“Bapi, you always told that our ancestors were from Dhaka”
“Yes, from erstwhile East Bengal. Why?”
“No generally. Where in Dhaka Bapi?”
“Bikrampur. but that was long back….why are you suddenly interested Mamoni? I say you come back this winter. Don’t think about funds. You won the scholarship and am mighty proud of that. But I can fund your travel expenses.”
“It’s not that Bapi. I have lots of work pending here”
“Can’t you come for two weeks?” Mrs. Mukherjee jutted in between the video call on Skype.
“Aha! can’t you see she is telling that she has important work. you will never understand. But still Mamoni, try to come.”
“I will try Bapi”
“Ok! Maoni I have to go now. I have an appointment with you siddhesh Kaku today. He is coming for a routine check up.You remember him right? His son is now working with Microsoft in New York. You can meet him during the winter break. He was thinking of visiting Boston too.”
“I do Bapi and I have told you many times that I don’t want to meet his son. I don’t find him good.”
“Ha Ha Ha, take your time. Signing off! Mamoni”
The window on her laptop disappeared. Sometimes she felt that her loving father was indeed very cruel. Very, Very cruel. He did not even let ma talk properly. She could not even say a bye. 
“Madam, busy?”
“No Kabir Da, come…look what I got…a brand new collection of Suchitra Bhattacharya stories. It’s available on Amazon!”
“Aha! don’t call me Kabir Da…how many times should I tell you that it doesn’t sound good when a beautiful girl calls you as her brother. Btw, I am only 25 and quite eligible”
“You and your flirting.”
“Madam, what will you understand of flirting. In this land of foreign beauties, nobody apart from you understands Rabindranath and Kadambari Debi.”
“Aha!He was wrong. Kadambari was his sister in law.”
“Debolina, when did you start thinking in the box full of black and white? Isn’t there something called grey? Kadambari Debi was his inspiration.”
Days Passed. The frolic and tinkle grew. Kabir was a year senior to Debolina. He had introduced him to many other Bengalis in and around Boston. Some were here for work. Some studied in the University. ! few were part of the IT crowd. Whenever they assembled, Kabir was always in the centre stage. Debolina’s stolen glances caught Kabir busily distributing luchi aloordum to one and all during Saraswati pujo. The meet for Tagore’s Birthday celebration found him hogging all the limelight for singing multilingual renditions of “Ekla Cholo re”. He was the star. Debolina was his happy shadow.
“Your parents must be a big fan of Anjan Dutta right?”
“What?”
“Jah! You are from Calcutta and never heard of Anjan Dutta?” 
“Of course I have…but why?”
“Arey they named you Debolina after his favourite song, right?”
It was Ina di’s house one summer evening where they had all gathered to watch the fresh off the rack DVD screening of the very popular and award winning Bengali movie of the year. ‘Antaheen’ as it was called. Rajeev Khemka, Kabir’s batchmate had nervously followed him to this full of fishhead eating bong gathering. It so happened that Kabir had suddenly visited his apartment to find him doing nothing and being the strang head that he was, forced Rajeev into this. The Gujarati in him was very scared of being served non vegetarian food. It took a lot of coaxing from Ina di   to make him have the vegetarian pulao. A few minutes into the screening, Debolina was serving as Rajeev’s official translator.
“What does Antaheen mean?”
“Endless wait” Debolina answered, only to be momentarily clouded by her thoughts of the wait that she was put into. Kabir was a Muslim. He was a Bangladeshi. Her father being the high caste Bengali Hindu Brahmin would never approve of the match. 
Was there a match? 
Kabir was flirting with Ina Di’s sister who was visiting her from India in the other corner of the room. He was humming a famous bengali song to her. “I need you”. Yes! that’s what it was called.
So from Debolina to another songwriter’s dream, it didn’t take much of Kabir’s time. Debolina often wondered whether Kabir even had a hint how since the New York trip of theirs, the stupid whispering of “Aami tomake bhalobashi” (I love you in Bengali) in the Central Park, her entire world revolves around Kabir?
Kabir obviously broke into a peal of laughter when Debolina turned a tinge red while being whispered those three magical words in Bengali. 
“Pagli!! scared you! Don’t take it seriously. Actually the weather, the surroundings….can you not be in love right now?”
That was Kabir. Whimsical. He could make such fun of people. Debolina did not talk to him for the remaining two days of the trip. But she had to eventually give in.
“Madam, seems like you are day dreaming….what’s the matter?”
Debolina was startled by Kabir’s booming voice yet again. He was driving on the way back from Ina Di’s house. They had dropped Rajeev in his apartment. There was a joke going around in today’s gathering. 
“Odol bodol”. They were obviously referring to Kabir paying more attention to Ina Di’s cousin and Debolina sticking around with Rajeev for the entire evening.
“Seems like some one is turning green with envy.”
“Why should I be?” Debolina reeacted
“Who told it’s you? But, you may say whatever you like but Rajeev will take a million years to understand the pains behind Bhindeshi Taara (the distant star) in translation.” Kabir winked.
“So who will understand Kabir Da?”
“Arrey, I was just saying that it has been beautifully sung by Anindya. The reworked version by Shantanu Moitra in the movie is quite good too.”
“Don’t divert the topic Kabir Da. You always do. Tell me who can be my distant star? ? My bhindeshi taara?” tears welled up Debolina’s eyes while she spoke.
“Crazy woman” Kabir laughed. “Have you been possessed or something at this hour of the night? Ki bolchish? Go back home and sleep.”
“You know how much courage did it take for me to ask you the question. You know it right Kabir Da? Who will under stand my language? that distant star”
“I do”.
                                                                           III
That winter Kabir went back home. He returned with his wife Sakina. Kabir never spoke much about his family in Dhaka but whatever Debolina could make out from bits and pieces was that he belonged to a very wealthy political family. Sakina, who took an instant liking for Debolina, had later told her that she was the only daugfhter of one of the richest industrialists of Dhaka. Kabir and she were family friends. Theirs was a ‘love marriage’. They had met at a party thrown that December in honour of Kabir. Their parents approved of the match and it didn’t take much time for them to get hooked.
Debolina returned to India to teach languages at JNU. She later married a colleague of hers there. she lives in Delhi with her two kids.
(P.S.- All characters mentioned in the story are purely fictional. Any resemblance with anybody, dead or living, is purely coincidental)
  

Death of the Ideologue- The deceased romance of a generation

Kanu Sanyal, the Naxal ideologue died this week. He committed suicide. He died on a day when news channels across India where hyperventilating to give equal coverage to his death and the fire that raged the century and a half old Stephen Court building in Park Street, Calcutta, the one which houses the iconic Flury’s confectionery store. It might just be a coincidence that in his death also he had to fight for equal footage on national airwaves with the symbolism of something he aspired to bring down with the dreams of a revolution.
Frankly speaking, none of us (and I mean the ‘Bongs’ of our generation) will be able to appreciate the nuances of the Naxalbari movement and the romance that an entire generation of our Babas, Jethus and Kakus attached to it. We are a far cry from that.
I remember a time when my Amma used to tell me stories about those horrific times. The times of the romance of the Naxalbari. I come from a Bengali family who have been supporting the INC (Indian National Congress) through thick and thin. My great grandfather have been a first generation Congressman. Needless to say we have been successful in maintaining that stand even in the times when an alternative to the CPM in West Bengal did seem impossible. But then again we were not unaffected. My father’s days of youth were of those when Bengal was rising to a new dawn and a dream which later turned in to a nightmare. It may be his inclination towards reading up on everything that he being a staunch Chatro Parishad supporter in college days still read up on the  nuances of the Naxalbari Movement. He never supported it, (in fact he once told me that these were the people who have distanced an entire generation of Indian youth from the democratic process) but he was the run of the mill Bengali guy whom the now deceased Kanu Sanyal would have loved to meet.
Yes, I say this because somewhere I feel that there was a dream and it was ruined. And it is a sham of Communism in all the Communist ruled states that we are living in today. Kanu Sanyal, for once, accepted the fact. He preferred staying with the people he had fought for. His Comrades. Not like the ones we see everyday, brokering a deal with the local real estate dealer or may be with a big Industrial house to overnight convert a silent and previously unheard of village in to the Singapore of Bengal without much groundwork and detailing going in to it.
These are myopic dreams that the so called Communists and Maoists have been seeing for long now. albeit from the two different ends of the spectrum. Maoists continue with their penchant for violent struggle where the ultimate losers end up being the onces they claim to fight for. It is high time for them to understand that to fight a machinery as big and organised as “State power” you need to stop fighting first. Since the notions of a welfare state are deep entrenched in our system, in spite of the JNU returned Communists (who are scared of facing the democratic face of the country) plaguing the system- there is hope.Hope in our Political process which churns out the much controversy ridden yet appreciated efforts like the NREGA.
 Violence is never the solution. And hats off to Kanu Sanyal who had realised this and took a stand. It will take time before our Netas and the other self proclaimed ones take note of that. But for one who had started this movement with the precincts of violence, to accept this fact and not being dogmatic could have been a huge step towards blending Communist movement within the mainstream of Indian Politics. Sadly, that never happened and with the state of things at present, it might just be so that the next generation of Bongs would understand the Communist movement in India just as another ‘Historic Blunder’.
Frankly speaking, I know very little of who Kanu Sanyal was and his work or the times he lived in. It is just another third eye perspective. A perspective of the sort whose fathers and uncles believed that Kanu Sanyal was practical and why Charu Mazumdar’s strict hardcore line of violence is bound to meet with utter destruction.
In his death, our generation (the very few who actually bothered to take note) has relived the romance of Naxalbari and its original intent rather than despairing over the fact that the person who started it and later condemned the Maoist movement, died a lonely death. Popular media might be right on the fact that his death sent out the signals of despair over violence but it was also about going back and understanding the bent of mind of a person more Communist than the ones we elect and the alternative model that he accepted and could have propounded in case his dream would have not gone awry or his friends in power not grown richer by the millions.