Tarpan Vidhi Part-1 / তর্পণ বিধি পর্ব – ১

Recently, I stumbled upon a family heirloom tucked away in glory inside my mother in law’s belongings. My paternal grandfather in law, late Mr. Biman Behari Ray, had once asked my maternal grandfather in law, later Mr Dilip Kumar De (Dadu) to write down the details of “Tarpan Vidhi” – the ritual of offering water to ancestors on the occasion of Mahalaya, the beginning of Devipaksha, according to the Hindu calendar. Dadu had given him a handwritten diary with all the details mentioned with his usual precision. I do not know if such an admirable and erudite piece about our gradually forgotten traditions is available online or not. At least I have not come across one. So this Mahalaya, just as we begin to celebrate the spirit of Durga Puja, I, his eldest granddaughter in law, intend to pay a tribute to  a scholarly man in this very small way.

As promised on my blog’s Facebook page – “The Big Bong Theory“, this is the first of the three parts of the digitally restored notes from Dadu’s diary about the “Tarpan Vidhi”.  Typing down such difficult Bangla/Sanskrit on Avro Keyboard has been a tough job, but I will be happy if his work finds a global window and helps people. The digitalisation is not 100% perfect or correct. Apologies for any unintended errors. The remaining parts will be published soon. Read till the end to know more about the remarkable man.

Read the second part here and the third part here.

তর্পণ বিধি পর্ব – ১

১/ আবাহন

দক্ষিণে মুখ করিয়ে কম্বলাসনে বসিতে হইবে। সামনে কোষাকুষি থাকিবে, তার সামনে একটি খালি পাত্র, এবং ডান দিকে ১টি বা ২টি জলে ভর্তি পাত্র থাকিবে। দুইবার মন্তপাঠ সহ আচমন করিতে হইবে।

আচমন করিবার বিধি

কোষায় জল ও তুলসীপাতা থাকিবে; বাম হস্তে কুষি ধরিয়ে সামান্য জল ডান হাতের তালুতে লইতে হইবে, ও তাহা দ্বারা আচমন করিতে হইবে। আচমন করিয়া জল খালি পাত্রে ফেলিতে হইবে। আচমন করিবার সময় “নমোঃ বিষ্ণু, নমোঃ বিষ্ণু, নমোঃ বিষ্ণু” বলিতে হয়।

প্রতিবার আচমন করিয়া, হাত ধুইয়া, দেবতীর্থ দ্বারা (অর্থাৎ ডান হাতের পাঁচটি আঙ্গুলের আগ্রভাগ দিয়া কুষি ধরিয়া) কুষিতে সামান্য জল লইয়া নিম্নলিখিত পাঠ করিতে হয় –

“নমোঃ অপবিত্রঃ পবিত্রোবা সর্ববাবস্থাং গতোহপি বা।

যঃ স্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং সবাহ্যভ্যন্তর শুচিঃ।।

নমোঃ কুরুক্ষেত্র গয়া গঙ্গা প্রভাস পুষ্করাণি চ।

তীর্থন্যেতানি  পুন্যানি তর্পণকালে ভবন্ত্বিহ।।”

এই মন্ত্রপাঠ সাঙ্গ হুইলে কুষির জলটি খালি পাত্রে ফেলিতে হইবে। তারপর দ্বীতিয়বার আচমন করিয়া মন্তপাঠ করিতে হইবে ও জল খালি পাত্রে ফেলিতে হইবে। সর্বদা কোষার কিছু তুলসীপাতা থাকিবে, এবং একটি খালি পাত্রে কিছু আলাদা তুলসীপাতা থাকিবে। যদি কোষার জলের তুলসীপাতা ফুরাইয়া যায়, তাহা হইলে নূতন তুলসীপাতা দিতে হয়বে।

২/ দেব তর্পণ

পূর্ব দিকে ঘরিয়ে বসিতে হয়বে। (সর্বদা বাম দিক দিয়া ঘুরিতে হইবে)। কোষাকুষি ও জলভর্তি পাত্র সঙ্গে করিয়া ঘুরিতে হইবে। দেবতীর্থ দ্বারা (পূর্বেই বলা হইয়াছে, দেবতীর্থ = ডান হাতের পাঁচটি আঙ্গুলের অগ্রভাগ) এক অঞ্জলি জল লইয়া “নমোঃ বিষ্ণু সতৃপ্যতাম” মন্ত্রপাঠ করিয়া খালি পাত্রে জল ফেলিতে হইবে।

এইরূপে এক এক অঞ্জলি জল লইয়া “নমোঃ বিষ্ণু সতৃপ্যতাম”, “নমোঃ রুদ্র সতৃপ্যতাম”, “নমোঃ প্রজাপতি সতৃপ্যতাম” প্রভৃতি মন্ত্রোচ্চারণ করিয়া প্রতিবার খালি পাত্রে জল ফেলিতে হইবে।

আরো এক অঞ্জলি জল নিম্নলিখিত মন্ত্রপাঠ করিয়া দেবতীর্থ দ্বারা দিতে হইবে –

“নমোঃ দেবা যক্ষাস্তথা নাগা গন্ধর্বাপসর সোহ সুরাঃ ক্রুরাঃ সর্পাঃ সুপর্ণাশ্চ তরবো   জিক্ষেগাঃ যগাঃ। বিদ্যাধরা জলোধারাস্তথৈ বাকাশগামিনঃ নিরাহারাশ্চ যে জীবাঃ পাপে ধর্মে রতাশ্চ যে। তেষামাপ্যায়নায়ৈতদ দীয়তে সলিলং ময়া।।”

৩/ মনুষ্য তর্পণ

পশ্চিম দিকে ঘুরিয়া বসিতে হয়বে। কোষাকুষি ও জলভর্তি পাত্র সঙ্গে করিয়া ঘুরিতে হইবে। উবু হইয়া, পিছন মাটিতে (কম্বলাসনে) ঠেকাইয়া বসিতে হইবে। কায়তীর্থ দ্বারা – (অর্থাৎ, জলপূর্ণ কুষিটি অঙ্গুষ্ঠ ও কনিষ্ঠাঙ্গুলির মূল প্রদেশ দ্বারা ধারণ করিয়া) কোলের দিকে মাটিতে (খালিপাত্রে নয়) দুই, দুই অঞ্জলি জল দিতে হইবে, নিম্নলিখিত মন্ত্রোচ্চারণ দ্বারা-

“নমোঃ সনকশ্চ সনন্দশ্চ তৃতীয়শ্চ সনাতনঃ। কপিলশ্চাসু রিশ্চৈব বোঢুঃ পঞ্চশিখস্তথা। সর্বেতে তৃপ্তিমায়ান্তু মদ্দত্তেনাম্বুনা সদা।।”

৪/ ঋষি তর্পণ

আবার পূর্ব দিকে ঘুরিয়া বসিতে হইবে, সঙ্গে কোষাকুষিও জলপূর্ণ পাত্র লইয়া। নিম্নলিখিত মন্ত্রপাঠ করিয়া দেবতীর্থে এক এক অঞ্জলি জল প্রত্যেক ঋষিকে দিতে হইবে –

“নমোঃ মরীচি সতৃপ্যতাম, নমোঃ অত্রি সতৃপ্যতাম,

নমোঃ অঙ্গিরা সতৃপ্যতাম, নমোঃ পুলস্ত্য সতৃপ্যতাম,

নমোঃ পুলহ সতৃপ্যতাম, নমোঃ ক্রতু সতৃপ্যতাম, নমোঃ প্রচেতা সতৃপ্যতাম, নমোঃ বশিষ্ঠ সতৃপ্যতাম, নমোঃ ভৃগু সতৃপ্যতাম, নমোঃ নারদ সতৃপ্যতাম।।”

এই জল খালি পাত্রে ফেলিতে হইবে।

Read the second part here and the third part here.

IMG_20160826_222240

About Dadu: My maternal grandfather in law, late Mr. Dilip Kumar De was a remarkable man. His academic credentials were brilliant to say the least. He was a student of Presidency College, Calcutta and stood 4th in his B.Sc. examinations in 1942. During those days, the University of Calcutta exercised a wider jurisdiction including institutions from undivided Bengal and Assam (probably). But his academic brilliance was not the only remarkable thing about him.
Dadu had the unique habit of writing diaries and systematically archiving every single event and day of his life. He studied Physics, Botany, Mathematics and English in college, but his interests were varied. My mother in law tells me that when my husband first travelled to USA, he asked her for the exact latitude and longitudinal directions of the place where he was going to. He was pretty old by then and had Parkinsons disease. But that did not deter him from making a diary entry with the details.
He was also a very meticulous man – very English, if I may use that adjective in the absence of a better term. Punctual and proper, the kind we imagine as the old Bengali Bhodroloks of his time. Only that he was real and there was a prevalent joke among my husband and his brother – “Aangrez chale gaye, DK De chhor gaye”.
His collection of books, his own diaries, newspaper cuttings and collectibles are a treasure trove which would have already been archived as bits of history, if he was probably born in Europe. Alas, his remarkable academic achievement notwithstanding, he had to go on to support his family at a very young age after the death of his father.
I had the privilege of meeting him in Jamshedpur, after our wedding. He was almost bedridden by then and could not talk properly. However, he had asked me to sing a song of Robi Thakur. His handwriting was barely legible then, but he asked Dida (my maternal grandmother in law), his life partner of almost 60 years, to write personal letters bearing his blessings for both me and Biswadeep. I have them framed in my house, as they bear testimony of not only his love, trust and pride for his beloved eldest grandson but also the erudite demeanour of welcoming the new girl in the family. He addressed me as “Didibhai” in the letter. I also had the privilege of reading his Will sometime earlier this year and his clarity of thought, farsightedness and the impeccability of his instructions amazed, or rather, surprised me.

 

 

Advertisements

4 thoughts on “Tarpan Vidhi Part-1 / তর্পণ বিধি পর্ব – ১

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s